শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ | ৭:০৩ পিএম
  1. Lead News
  2. অপরাধ
  3. অর্থনীতি
  4. আইন-আদালত
  5. আন্তর্জাতিক
  6. আমরা
  7. কর্পোরেট
  8. খেলাধুলা
  9. গণমাধ্যম
  10. চাকুরীর খবর
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম
  13. প্রবাস
  14. ফিচার
  15. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি

ধারণক্ষমতার ৭ গুণ রোগী ভর্তি শেবাচিম হাসপাতালে

প্রতিবেদক
যায়যায়দিন
January 16, 2024 6:19 pm

মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় কাঁপছে দক্ষিণাঞ্চল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদ উঠলেও তাতে শীতের তীব্রতা কমাতে পারছে না। কয়েকদিনের ঠান্ডা আবহাওয়ায় বরিশাল বিভাগে দিনে দিনে বাড়ছে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর, কাশি, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগ। রোগী বাড়লেও চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিভাগের সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল। হাসপাতাল প্রশাসন বলছে, গত এক সপ্তাহে ধারণক্ষমতার ৭ গুণের বেশি রোগী নিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে ২৭৩ জন ঠান্ডাজনিত রোগ নিয়ে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া নিয়ে ৫৪ জন, ডায়রিয়ায় ১১৮ জন এবং ঠান্ডাজনিত অন্যান্য রোগে ১০১ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

জানা গেছে, উপকূলীয় ভোলা ও পটুয়াখালীতে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রার্দুভাব বেশি। শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়ায় পটুয়াখালীতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ জন, ভোলায় ২৪, বরিশালে ৩, পিরোজপুরে ৮, বরগুনায় ৪ ও ঝালকাঠিতে ২ জন। ডায়রিয়ায় ভোলায় ৪৮, পটুয়াখালীতে ২৩, পিরোজপুরে ১২, বরিশালে ১৭, বরগুনায় ৭, ঝালকাঠিতে ১‌১ জন। ঠান্ডাজনিত অন্যান্য রোগে সবচেয়ে বেশি ভর্তি হয়েছেন পটুয়াখালীতে ৬১ জন। এ ছাড়া ঝালকাঠিতে ৩১, বরিশালে ৪ জন।

এ ছাড়া জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বহির্বিভাগে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শিশু ও বয়স্ক রোগীর চাপ বহুলাংশে বেড়েছে। এর অধিকাংশ রোগী হাসপাতালে ভর্তি না হলেও বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিয়ে নিজ বাসায় ফিরছেন।

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে জানিয়েছে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ড রোগীতে পরিপূর্ণ। বর্তমানে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেশি রোগী ভর্তি আছে।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান উত্তম কুমার সাহা জানান, দুই ও তিন তলা ছাড়াও আরও কয়েকটি ইউনিট নিয়ে শিশু বিভাগ। রোগী নিয়ে আমরা হিমশিম খাচ্ছি। আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে নিউমোনিয়া রোগী, সংকটাপন্ন রোগী রয়েছে। বিভাগের একমাত্র মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হওয়ায় আশপাশের জেলা ও উপজেলা ছাড়াও বিভাগের বাইরে থেকেও প্রতিদিন এখানে শত শত রোগী আসে।

সর্বশেষ - সারাবাংলা